ফেসবুকে ‘ওভার শেয়ারিং’ করছেন না তো?

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৪৭৬ দেখেছেন

পরিচিত মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে ফেসবুক এর বিকল্প নেই। সবাই কী করছে, কোথায় যাচ্ছে সব জানা যায়। মনেই হয়না যে রোজ কথা হচ্ছে না। নিজের আনন্দের মুহূর্তগুলোও শেয়ার করা যায়। কিন্তু শেয়ার করতে গিয়ে ‘ওভার শেয়ারিং’ করছেন কিনা একটু খেয়াল করে দেখুন তো। মিলিয়ে দেখুন নিজের সঙ্গে আর জেনে নিন আপনিও ‘ওভার শেয়ারিং’ করছেন কিনা!

অন্তরঙ্গ ছবি: ফেসবুকের অনেক জুটি আছেন যারা বেশ জনপ্রিয়। ‘#কাপল গোল’ দিয়ে ঘুরতে যাওয়া, ডেট, হাত ধরে হাঁটার ছবি শেয়ার করছেন অনেকেই। কেউ কেউ আবার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি, বেডরুমের চার দেয়ালের মাঝে তোলা ছবি শেয়ার করছেন ফেসবুকে। এভাবে নিজেদের প্রাইভেসি নিজেরাই নষ্ট করছেন ‘ওভার শেয়ারিং’ করে। দুজনের একান্ত মুহূর্তগুলো এভাবে আর দুজনের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে না। উপভোগ করার বদলে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে মূল্যবান সময়গুলো হারিয়ে ফেলছেন অনেক জুটি।

আদুরে বিশেষণ: প্রিয় মানুষটিকে ‘বেবি’, ‘বাবু’, ‘কিউটি পাই’, ইত্যাদি আদুরে নামে ডাকেন অনেকেই। কিন্তু সেগুলো ফেসবুকে সারাক্ষণ শেয়ার করলে অন্যের বিরক্তির কারণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনি হয়তো আদর করেই ডাকছেন, কিন্তু এতে বিব্রত হতে পারেন আপনার প্রিয় মানুষটিও। এমনকি বন্ধু মহলেও তাকে নিয়ে হাসাহাসি করার সম্ভাবনা থাকে।

সবখানে নাক গলানো: ধরুন আপনার প্রিয় মানুষটি তার কোনো বন্ধুর সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছে কোনো পোস্টে। আপনি সেখানে গিয়ে গায়ে পড়ে জড়ালেন। কিংবা অন্য যে কোনো যায়গায় গিয়ে প্রয়োজন ছাড়াই কমেন্ট দিয়ে আসলেন। এগুলোও ওভার শেয়ারিং। আপনার প্রিয় মানুষটির ভালো লাগলেও বন্ধু তালিকার বাকিদের জন্য আপনার এই অভ্যাস বিরক্তিকর হতে পারে।

ঘরের কথা বাইরে: ধরুন আপনার স্বামী পাশের রুমেই আছেন। অথচ আপনি তার ফেসবুক ওয়ালে গিয়ে পোস্ট করছেন, ‘একটু রুমে আসো তো!’ অথবা ঝগড়া লেগেছে দুজনের। রেগে-মেগে ফেসবুকে এমন পোস্ট দিলেন যে সবাই বুঝে গেলো আপনাদের মধ্যে মান-অভিমান চলছে। অথচ সেই রাগ ভেঙ্গে গেছে এক ঘণ্টার মধ্যেই। এগুলো ‘ওভার শেয়ারিং।’ এধরনের অভ্যাসে নিজেদের মাঝে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বন্ধুদের কাছেও আপনার ব্যক্তিত্ব ক্ষুণ্ণ হয়। –ফেমিনা

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় একজন প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো নিয়ে কথা বলার সময় সম্প্রতি জুনাইদ আহমেদ পলকের মাথায় হেলমেট ছাড়া বাইকে চড়ে সচিবালয়ে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে সাংবাদিকরা ওবায়দুল কাদেরকে প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, ওই প্রতিমন্ত্রী সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় আমার কাছে ভুল স্বীকার করেছেন।

‘তাকে আমি এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। পরে তিনি এ ঘটনায় ভুল বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না বলে আমাকে কথা দিয়েছেন।’

নতুন সরকারে শপথ নেয়ার পর দিন মঙ্গলবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগে দ্রুত যেতে পলক মোটরবাইকে সওয়ার হয়েছিলেন।

মোটরবাইকে চেপে অফিসযাত্রার ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের টাইমলাইনেও পোস্ট করেন পলক। তাতে তাকে হেলমেট ছাড়া অবস্থায় দেখে সমালোচনা করেন অনেকে।

আইনপ্রণেতা হিসেবে হেলমেট না পড়ে মোটরযান আইন ভাঙায় ফেসবুকে পলকের পোস্টেই সমালোচনা করেন অনেকে।

এ প্রসঙ্গে পলক পরে সাংবাদিকদের বলেন, তাড়াহুড়ো করে যাওয়ার জন্য আমি যে বাইকের সাহায্য নিয়েছি, তার কাছে কোনো বাড়তি হেলমেট ছিল না। আর ওটা রাইড শেয়ারিংয়ের বাইকও ছিল না, ব্যক্তিগত বাইক ছিল।

হেলমেট ছাড়া বাইকে সওয়ার, পলকের দুঃখ প্রকাশ