ঐক্যফ্রন্টকে চা-চক্রের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৩০১ দেখেছেন

একাদশ নির্বাচনের পর সংলাপ নিয়ে নানামুখী আলোচনার মধ্যে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে শুভেচ্ছা বিনিময় ও চা-চক্রের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তাদের এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

গণফোরাম কার্যালয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে গণভবন থেকে ঐক্যফ্রন্টকে আমন্ত্রণের একটি চিঠি এসেছে। ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সব সদস্যের নামে আলাদা আলাদা চিঠি দেয়া হয়েছে

উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর গত ১৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ যে ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছিল তাদের সঙ্গে ফের সংলাপে বসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের ফের আমন্ত্রণ জানাবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর একদিন পর ১৪ জানুয়ারি দুপুরে সিলেটে হজরত শাহজালালের মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনবিষয়ক এজেন্ডা থাকলেই কেবল প্রধানমন্ত্রীর সংলাপে অংশ নেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

ওইদিন বিকালেই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, নির্বাচন নিয়ে সংলাপ নয়, নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্যই মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানাবেন। তবে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপের দাবি হাস্যকর।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেছিলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে ঐক্যফ্রন্টসহ ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য চিঠি দিয়ে আবারো তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। আর সেটা শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য। এখানে কোনো সংলাপ নয়।

প্রসঙ্গত, নির্বাচনের আগে ওই সংলাপে অংশ নিয়েছিল বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, জাতীয় পার্টি, যুক্তফ্রন্টসহ আরও বহু দল। ওই সংলাপের সময়ই বিরোধী দলগুলো একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা ঘোষণা করে।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় একজন প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো নিয়ে কথা বলার সময় সম্প্রতি জুনাইদ আহমেদ পলকের মাথায় হেলমেট ছাড়া বাইকে চড়ে সচিবালয়ে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে সাংবাদিকরা ওবায়দুল কাদেরকে প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, ওই প্রতিমন্ত্রী সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় আমার কাছে ভুল স্বীকার করেছেন।

‘তাকে আমি এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। পরে তিনি এ ঘটনায় ভুল বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না বলে আমাকে কথা দিয়েছেন।’

নতুন সরকারে শপথ নেয়ার পর দিন মঙ্গলবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগে দ্রুত যেতে পলক মোটরবাইকে সওয়ার হয়েছিলেন।

মোটরবাইকে চেপে অফিসযাত্রার ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের টাইমলাইনেও পোস্ট করেন পলক। তাতে তাকে হেলমেট ছাড়া অবস্থায় দেখে সমালোচনা করেন অনেকে।

আইনপ্রণেতা হিসেবে হেলমেট না পড়ে মোটরযান আইন ভাঙায় ফেসবুকে পলকের পোস্টেই সমালোচনা করেন অনেকে।

এ প্রসঙ্গে পলক পরে সাংবাদিকদের বলেন, তাড়াহুড়ো করে যাওয়ার জন্য আমি যে বাইকের সাহায্য নিয়েছি, তার কাছে কোনো বাড়তি হেলমেট ছিল না। আর ওটা রাইড শেয়ারিংয়ের বাইকও ছিল না, ব্যক্তিগত বাইক ছিল।

হেলমেট ছাড়া বাইকে সওয়ার, পলকের দুঃখ প্রকাশ