আমিরের মায়ের মৃত্যু, নেতিবাচক মন্তব্যে চটেছেন রুবেল

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০১৯
  • ২৭৫ দেখেছেন

পাকিস্তানের তারকা পেসার মোহাম্মদ আমিরের মা মারা গেছেন। গেল সোমবার দিবাগত রাতে করাচির একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ছেলেকে ছেড়ে চিরতরে পাড়ি জমান পরপারে। প্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন বাংলাদেশ পেসার রুবেল হোসেন। সেটি নেতিবাচক মন্তব্যে ভরে যায়। সেসব দেখে বেজায় চটেছেন তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে দুঃখ প্রকাশ করেন রুবেল। তাতে আমিরের মায়ের আত্মার শান্তি কামনা করেন। তিনি লেখেন, পাকিস্তান ক্রিকেট দলের তারকা পেসার মোহাম্মদ আমির, তার মা ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন.. আল্লাহ আপনি ওনাকে জান্নাত নসিব করুন। হে আল্লাহ! আপনি বাংলাদেশের তথা সমস্ত দেশের অসুস্থ ভাই বোনদের সুস্থতা দান করুন। আমিন।

পোস্টটি দেয়ার পরপরই ভক্ত-অনুসারীরা নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। সেগুলো বিতর্কিতও বটে! তাকে রাজাকার, পাকিস্তানপ্রেমী বলেও সম্বোধন করেন অনেকে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে সন্ধ্যায় আরেকটি স্ট্যাটাস দেন রুবেল। তাতে উল্লেখ করেন, বিদেশি বন্ধুদের মধ্যে আমির তার খুব কাছের একজন। এছাড়া মন্তব্যকারীদের বিদ্বেষী মানসিকতার সমালোচনাও করেন রিভার্স সুইং তারকা।

টাইগারদের ডানহাতি গতিতারকা লেখেন, পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পেসার মোহাম্মদ আমিরের মায়ের মৃত্যু নিয়ে আমি ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় অনেকেই দেখলাম ব্যাপারটা খারাপ ভাবে নিয়েছেন। আমিরের সাথে ২০০৭ সাল থেকে আমার পরিচয়। আমরা একসাথে অনূর্ধ্ব-১৯ -এ খেলেছিলাম। দেশের বাইরের কাছের বন্ধুদের মধ্যে অন্যতম সে। এজন্যই তার মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম। তাছাড়া কারো মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করাতে ভুল কোথায় আমি জানি না! তবে ইদানীং লক্ষ্য করা যায়, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা অন্যের প্রতি বিদ্বেষ প্রচারেই বেশি আগ্রহী। মুসলিম হিসেবে এটি কোনো ভাবেই কাম্য নয়।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় একজন প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো নিয়ে কথা বলার সময় সম্প্রতি জুনাইদ আহমেদ পলকের মাথায় হেলমেট ছাড়া বাইকে চড়ে সচিবালয়ে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে সাংবাদিকরা ওবায়দুল কাদেরকে প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, ওই প্রতিমন্ত্রী সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় আমার কাছে ভুল স্বীকার করেছেন।

‘তাকে আমি এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। পরে তিনি এ ঘটনায় ভুল বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না বলে আমাকে কথা দিয়েছেন।’

নতুন সরকারে শপথ নেয়ার পর দিন মঙ্গলবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগে দ্রুত যেতে পলক মোটরবাইকে সওয়ার হয়েছিলেন।

মোটরবাইকে চেপে অফিসযাত্রার ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের টাইমলাইনেও পোস্ট করেন পলক। তাতে তাকে হেলমেট ছাড়া অবস্থায় দেখে সমালোচনা করেন অনেকে।

আইনপ্রণেতা হিসেবে হেলমেট না পড়ে মোটরযান আইন ভাঙায় ফেসবুকে পলকের পোস্টেই সমালোচনা করেন অনেকে।

এ প্রসঙ্গে পলক পরে সাংবাদিকদের বলেন, তাড়াহুড়ো করে যাওয়ার জন্য আমি যে বাইকের সাহায্য নিয়েছি, তার কাছে কোনো বাড়তি হেলমেট ছিল না। আর ওটা রাইড শেয়ারিংয়ের বাইকও ছিল না, ব্যক্তিগত বাইক ছিল।

হেলমেট ছাড়া বাইকে সওয়ার, পলকের দুঃখ প্রকাশ