স্বামীকে নিয়ে খাজা বাবার দরবারে নুসরাত, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯
  • ১৬৯ দেখেছেন

হিন্দু রীতিতে নিখিল জৈনকে বিয়ে করে তুমুল সমালোচিত হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।

ইস্তানবুলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে কলকাতায় এসে একের পর বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেই যাচ্ছেন তিনি। তাও আবার ধর্মীয় আবেগ নিয়ে।

এর পর সিঁদুর লাগিয়ে, মঙ্গলসূত্র পরে ভারতের পার্লামেন্টে গিয়ে সে সমালোচনায় ঘি ঢালেন।

তাতেও থামেননি তিনি। দলীয় সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে ইস্কনের রথের রশি টানার হিন্দু ধর্মীয় রীতি পালন করেন বসিরহাটের সাংসদ নুসরাত।

নুসরাতের এমন সব ঘটনায় ভারতের ‘দারুল উলুম’-এর ইমাম মুফতি আসাদ ওয়াসমির পর দেশটির প্রসিদ্ধ আলেম মুফতি মোহাম্মদ গোলাম রিজভি বলেন, ‘আর কোনোভাবেই মুসলমানের খাতায় নাম রইল না নুসরাত জাহানের।

তবে এসব সমালোচনা ও বক্তব্য কানেই তুলছেন না টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত। একের পর সমালোচনার জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এবার নতুন এক বিষয় নিয়ে আবার আলোচনায় এলেন নুসরাত। সম্প্রতি স্বামী নিখিল জৈনকে সঙ্গে নিয়ে খাজা হজরত নিজামুদ্দিনের দরগা শরিফে গেলেন তিনি।

বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন নুসরাতের স্বামী নিখিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা সেই ছবিতে দেখা গেছে, দরগায় স্ত্রী নুসরাতকে নিয়ে দাঁড়িয়ে নিখিল। তার মাথায় সাদা কাপড় বাঁধা ও নুসরাতের মাথায় ওড়না।

উল্লেখযোগ্য বিষয়টি হলো, ছবিতে নুসরাতের কপালে এতদিনের লেগে থাকা সিঁদুরও দেখা যায়নি।

ছবিটি পোস্ট করে নিখিল লিখেছেন, ‘ভগবান সর্বত্র। তুমি কোথায় তাকে খুঁজে পাবে তা নির্ভর করছে তোমার ওপর। আমি তোমার মধ্যেই আমার ভগবানকে খুঁজে পেয়েছি।’

এ ছবি প্রকাশের পরই আবার সমালোচনার জালে আঁটকে গেলেন নুসরাত। এর আগে নুসরাতের করা হিন্দু ধর্মীয় রীতির প্রসঙ্গ টেনে তার সমালোচনায় মেতেছে নেটিজেন। তবে প্রশংসাও কুড়াচ্ছেন অনেক।

নুসরাতের এমন সব কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ফতোয়া জারি করেছিলেন দেববন্দের ইমাম। ইসলামধর্মে অগ্রহণযোগ্য বলে ফতোয়া জারি করে প্রসিদ্ধ আলেমগণ বলেন, নুসরাত আর মুসলমান রইল না।

এর জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ভারতের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান আপ কি আদালতে নুসরাত বলেন, ‘আমি একজন মুসলিমই থাকব এবং আমি কী পরব তা নিয়ে কারও কথা বলার অধিকার নেই। বিশ্বাস সব কিছুর ঊর্ধ্বে। আমার ধর্ম ও বিশ্বাস (ঈমান) কেড়ে নেয়ার অধিকার কারও নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম হলো বিশ্বাসের ব্যাপার আর আমার বিশ্বাস পাক্কা। সিঁদুর ও মঙ্গলসূত্র পরে আমি আমার বিশ্বাস হারাইনি।’

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় একজন প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো নিয়ে কথা বলার সময় সম্প্রতি জুনাইদ আহমেদ পলকের মাথায় হেলমেট ছাড়া বাইকে চড়ে সচিবালয়ে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে সাংবাদিকরা ওবায়দুল কাদেরকে প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, ওই প্রতিমন্ত্রী সড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে যাত্রী হওয়ার ঘটনায় আমার কাছে ভুল স্বীকার করেছেন।

‘তাকে আমি এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। পরে তিনি এ ঘটনায় ভুল বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না বলে আমাকে কথা দিয়েছেন।’

নতুন সরকারে শপথ নেয়ার পর দিন মঙ্গলবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগে দ্রুত যেতে পলক মোটরবাইকে সওয়ার হয়েছিলেন।

মোটরবাইকে চেপে অফিসযাত্রার ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের টাইমলাইনেও পোস্ট করেন পলক। তাতে তাকে হেলমেট ছাড়া অবস্থায় দেখে সমালোচনা করেন অনেকে।

আইনপ্রণেতা হিসেবে হেলমেট না পড়ে মোটরযান আইন ভাঙায় ফেসবুকে পলকের পোস্টেই সমালোচনা করেন অনেকে।

এ প্রসঙ্গে পলক পরে সাংবাদিকদের বলেন, তাড়াহুড়ো করে যাওয়ার জন্য আমি যে বাইকের সাহায্য নিয়েছি, তার কাছে কোনো বাড়তি হেলমেট ছিল না। আর ওটা রাইড শেয়ারিংয়ের বাইকও ছিল না, ব্যক্তিগত বাইক ছিল।

হেলমেট ছাড়া বাইকে সওয়ার, পলকের দুঃখ প্রকাশ